বাংলাদেশে আসছেন ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক-সাংবাদিক

বাংলাদেশে আসছেন ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক-সাংবাদিক

ওয়ান নিউজ ডেস্ক:

আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশে ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকের আগমন ঘটছে। নির্বাচনটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ অধিশাখা থেকে পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগত মোট ৫৪০ জন বিদেশি অতিথির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও সংস্থা থেকে প্রায় ৬০ জন আসছেন। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আগমন ঘটবে প্রায় ৩৩০ জন পর্যবেক্ষকের। পাশাপাশি ৪৫টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিত্বকারী প্রায় ১৫০ জন বিদেশি সাংবাদিক নির্বাচন কাভার করতে বাংলাদেশে আসবেন।

নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন ভুটান ও নাইজেরিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার আইসিএপিপি-এর স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। 

এছাড়া তুরস্ক থেকে ১০ সদস্যের একটি শক্তিশালী পর্যবেক্ষক দল আসছে, যাদের মধ্যে ৬ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও নাইজেরিয়া থেকে ৫ জন করে প্রতিনিধি দল এবং রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, জর্ডান, পাকিস্তান ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে বড় দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যাদের সংখ্যা ২২৩ জন। এছাড়া কমনওয়েলথ থেকে ২৫ জন, এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস থেকে ২৮ জন এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট থেকে ১২ জন পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসবেন।

বিশ্বব্যাপী গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের খবর তুলে ধরতে উপস্থিত থাকবেন প্রায় ১৫০ জন বিদেশি সাংবাদিক। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ৪৮ জন এবং কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা থেকে ৭ জন সাংবাদিক রয়েছেন। পাশাপাশি বিবিসি নিউজ, রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), এনএইচকে, ডয়েচে ভেলে ও এবিসি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিরাও নির্বাচন কাভার করবেন।

নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, বিদেশি অতিথিদের ভিসা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তারা যেন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *