ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের কূপ খনন শুরু-প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের কূপ খনন শুরু-প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পেট্রোবাংলার আওতাধীন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)-এর উদ্যোগে তিতাস ও কামতা গ্যাস ফিল্ডে চারটি নতুন কূপ খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে তিতাস–২৮ নং কূপের খনন কাজ (স্পাত-ইন) উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএফসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ ফারুক হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন ঘোষণা করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) প্রকৌশলী মোঃ শোয়েব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন, মহাব্যবস্থাপক মেহেরুল হাসান (রিজার্ভয়ার ও তথ্য ব্যবস্থাপনা), পেট্রোবাংলা, পরিচালক (অপারেশন) লি লিনঝেন, সিসিডিসি বাংলাদেশ প্রকল্প, চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আতাউল এইচ এস হাসান, ফার ওয়েল অ্যান্ড গ্যাস লিমিটেডসহ বিজিএফসিএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিনটি কূপ (তিতাস–২৮, ২৯ ও ৩০) এবং গাজীপুরের কালীগঞ্জে একটি কূপ (কামতা–২) খনন করা হবে। তিতাস–২৮ নং কূপটি প্রায় ৩৬ শত মিটার গভীরতায় দিকনির্দেশিত পদ্ধতিতে খনন করা হচ্ছে, যা সম্পন্ন হতে আনুমানিক ১১০ দিন সময় লাগবে।

খনন কাজ সফলভাবে শেষ হলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে চারটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে মোট ২৭টি কূপ রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি বন্ধ এবং অবশিষ্ট ২২টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বিজিএফসিএল-এর আওতায় বর্তমানে ৫টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া ২০২৬–২০২৮ সময়ে নতুন কূপ খনন, ওয়ার্কওভার ও ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে গ্যাস উৎপাদন আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *