ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বসতবাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার বিরাশার পশ্চিমপাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী জুলেখা বেগম (৫৫)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন সকাল ৯টার দিকে জুলেখা বেগমের বসতবাড়িতে স্থানীয় দুলাল মিয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা কাউছার মিয়া (৩৭), মিজান মিয়া (৪০) ও হুমায়ুন মিয়া (৪২) সহ আরও কয়েকজন লোক বেআইনি অস্ত্র নিয়ে জুলেখা বেগম এর বসত বাড়িতে যায় তারা। এ সময় তারা ঘর, দরজা ও ল্যাট্রিন ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। প্রতিবাদ করায় জুলেখা বেগম ও তার স্বামী রফিকুল ইসলামকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে তারা। এছাড়াও অভিযুক্তরা জুলেখা বেগমের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা বিভিন্ন হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং বাড়ির ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জুলেখা বেগম জানান, অভিযুক্ত কাউছার দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িটি দখলের ষড়যন্ত্র করে আসছে। সে আওয়ামিলীগের লোক তার ভয়ে আমরা কথা বলতে পারি না। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্যঃ কাউসার এর বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরণ মামলা রয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, মারাত্নক অস্ত্রশস্ত্র সহ বেআইনী ভাবে ৪ই আগস্ট ২০২৪ তারিখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিস্ফোরণ ঘটনায় কাউছার।
