একেএম বজলুর রহমান, পঞ্চগড়
সহকর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ও সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক এ.কে.এম ওয়াহিদুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। অভিযোগের বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জিনাত আরা স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে এ.কে.এম ওয়াহিদুজ্জামান অফিসের শৃঙ্খলা ও সরকারি কর্মচারীর নৈতিক আচরণবিধির পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, তিনি এক সহকর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন, যা কর্মস্থলের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চন্দ্র দাশ টেলিফোনে অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও দাপ্তরিক ক্রয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলে নোটিশে জানানো হয়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে একতরফাভাবে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ.কে.এম ওয়াহিদুজ্জামান বর্তমানে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ে উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত থাকলেও তাকে শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে গত চারমাস আগেই।

