ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের দক্ষিণ পৈরতলায় গত ৭ই মার্চ সাদ্দাম বাহিনী দক্ষিণ পৈরতলায় বাস স্ট্যান্ডে মৃত এডভোকেট বজলুর রহমানের দোকান ভিটায় মাটি ভরাটের জন্য চাঁদা দাবি করে ও হুমকি প্রধান করেন। এরপর চাঁদার টাকা না পেয়ে গত ১৩ই মার্চ সকাল ৯টায় বজলুর রহমান মার্কেটের সামনে গুন্ডা বাহিনী নিয়ে দলবলে হামলা করে কিশোর গ্যাং সাদ্দাম বাহিনী।
যা একটি সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড দেখা যায়। হামলার বিষয়ে এলাকার মুরব্বি ও সালিশকারক আব্দুন নূর তীব্র প্রতিবাদ প্রতিরোধ করে, এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে সেনাক্যাম্পে অভিযোগের পরামর্শ দেয়। ফলে ভূমি মালিক ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম চলতি মাসে ১৩ তারিখ সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সেনা ক্যাম্পে চাঁদাবাজির লিখিত অভিযোগ করে যাহার অভিযোগ নং-৭৪ (চোয়াত্তর)।
অভিযোগের ভিত্তিতে সেনা ক্যাম্পে অভিযুক্ত সাদ্দাম বাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে সালিশকারক আব্দুন নূর ও তার ভাই বাবুল সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর চলতি মাসের ১৪ই তারিখ দিবাগত রাতে ও সকালে একাধিকবার হামলা করে।
এতে নারী-পুরুষ আহত হয়। আহতদের চিকিৎসা চলকালিন অবস্থায় সন্ত্রাসী সাদ্দাম আগে আগে থানায় গিয়ে জায়গার মালিক মৃত বজলুর রহমান এর সন্তান তার নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় চার লক্ষ টাকা চাঁদা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে ১নং আসামি করে ও সালিশকারক আব্দুন নূর, বাবুল এবং তাদের পরিবারের অন্যান্য আহত সদস্যদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামি করে। যাতে করে আহতরা থানায় গিয়ে কেউ মামলা করতে না পারে। পরবর্তীতে মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে এখনো চাঁদাদাবি করেই যাচ্ছে সাদ্দাম ও তার বাহিনী।
এদিকে আহত সালিশকারক ও তার পরিবার চিকিৎসা শেষে গত ১৬ই মার্চ তারিখে সন্ত্রাসী সাদ্দাম,তার ভাই কালা শিমুল, মাইনুদ্দিন, আবু, মুসলিম, ইব্রাহিম ইত্যাদি গংদের বিরুদ্ধে জখমির ছোট ভাই মোহাম্মদ লাভলু মিয়া বাদি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ৩৬ নং নাম্বারে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ সামছুল হক মোবাইল ফোনে জানান, এই বিষয়ে সদর থানায় দুই পক্ষে থেকে দুটি মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত করছি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমান পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।