‘দীপ্ত রৌদ্র তেজে, প্রতিবাদে দাঁড়াও নিজে’ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ গাইবান্ধা জেলা শাখার দ্বিতীয় সম্মেলন শনিবার গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্মেলন থেকে সকল অন্যায় অবিচার ভেদবুদ্ধি, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার অঙ্গীকার ঘোষণা করা হয়।
শনিবার (৩০আগস্ট) বেলা ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি গবেষক ড. গোলাম কিবরিয়া পিনু।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তরুণ লেখকদের প্রতি তিনি সমাজের বৈষম্য ও অসঙ্গতিগুলো তাদের লেখনীতে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রগতি লেখক সংঘের মূল লক্ষ্য হলো প্রগতিশীল চিন্তা ও সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।
বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ জেলা শাখার সভাপতি দেবাশীষ দাশ দেবুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক গোলাম রব্বানী মুসা। সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অধ্যাপক মাজহার-উল মান্নান, প্রবীণ রাজনীতিক আমিনুল ইসলাম গোলাপ, পরিবেশ আন্দোলন নেতা ওয়াজিউর রহমান রাফেল, বীরমুক্তিযোদ্ধা ময়নুল ইসলাম রাজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন ইউসুফ, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন, কবি মমতাজ বেগম রেখা, সিপিবির জেলা সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, মোদাচ্ছেরুজ্জামান মিলু প্রমুখ। বক্তারা বলেন, দেশের প্রগতিশীল আন্দোলনকে বেগবান করতে লেখক ও সাহিত্যিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
আলোচনা পর্ব শেষে সঙ্গীত ও আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। এতে অংশ নেন মাহমুদ সাগর মহব্বত, চুনি ইসলাম, রণজিৎ সরকার, সোমা সেন, রোজাইনা আকতার ও মেঘলীনা দ্যুতি।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিককর্মী শিরিন আকতার। এরপর সাংগঠনিক অধিবেশনে সংঘের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন তার প্রতিবেদন এবং কোষাধ্যক্ষ প্রতিভা সরকার ববি আয়-ব্যয়ের হিসাব উপত্থাপন করেন। পরে সদস্যরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে কবি দেবাশীষ দাশ দেবুকে সভাপতি ও রজতকান্তি বর্মনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট গাইবান্ধা জেলা কমিটি গঠন করা হয়।