জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গতকাল নূর ভাইয়ের (নুরুল হক নূর) ওপর যে আক্রমণটা হয়েছে- এটা আমাদের জন্য একটা ম্যাসেজ। তারেক জিয়াকে আমরা দেখেছি মুচলেকা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে। ওনাকে নৃশংসভাবে মেরে মাজা ভেঙে দেয়া হয়েছিল।
একই পরিণতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে যদি আমরা নিয়ম চেঞ্জ না করতে পারি। খালেদা জিয়ার যে পরিণতি হয়েছিল আমাদের জন্যও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে যদি আমরা নিয়ম পরিবর্তন করতে না পারি। নিয়ম পরিবর্তনের জন্য যেটার নাম আমরা দিয়েছি সংস্কার। এটার জন্য আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ছতরপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত ‘উঠানে নতুন সংবিধান’ শীর্ষক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি৷ গণপরিষদ নির্বাচন, নতুন সংবিধান, বিচার ও সংস্কারের দাবিতে এনসিপির বিজয়নগর উপজেলা কমিটি এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদেরকে এখন বলা হয় নির্বাচনবিরোধী। বিএনপি নির্বাচনের জন্য কথা বলছে। আমরা নির্বাচনসহ আরও দুইটি বিষয়ের জন্য কথা বলছি। আমরা বলছি আমাদের নির্বাচনও লাগবে আবার বিচার ও সংস্কারও লাগবে। এই যে পুলিশ আমাদেরকে বিনা বিচারে, বিনা মামলায় ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাবে না- এটার ফয়সালা কি হয়েছে? নেয়ার পরে যে আমাদের পরিবারকে অবগত করবে- এটার ফয়সালা কি হয়েছে? হয়নি তো! আমরা দেখি একজন মাইক দিয়ে বলে যদি ধানের শীষ না থাকে প্রয়োজনে আমরা নিজেরাই ব্যালট পেপার ছাপাব। আমি বলছিনা এটা একটা রাজনৈতিক দলের অবস্থান। আমি বলছি এটা অনেক রাজনৈতিক দলের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টা হচ্ছে এমন। এটা সবাই যে ধারণ করে আমরা বিশ্বাস করতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, রুমিন ফারহানার সঙ্গে আমাদের একটা মনোমালিন্য হয়েছে। আমরা এসেছি- ওনি ওনার লোা পাঠিয়েছেন যে আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা। আমাদের জন্য ওনি কিছু উপহার পাঠিয়েছেন৷ এটা আমাদের জন্য পজিটিভ বার্তা। আমাদের অবশ্যই ওয়েলকাম জানানো উচিত।
বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এস. এম. সাইফ মোস্তাফিজ ও ডা. মাহমুদা মিতা, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ এবং বিজয়নগর উপজেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ।