
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে দ্বিতীয় দিনে অবশিষ্ট ৩টি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে দ্বিতীয় ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) এই তিনটি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৩৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটার তালিকায় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরজণিত জটিলতায় প্রার্থীতা বাতিল হয়। প্রার্থীতা বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের মুসা সিরাজী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে সদ্য বহিষ্কৃত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ, শাহমুর্তুজ আলী, মোঃ আবু কায়েস শিকদার, কাজী জমির উদ্দিন, দেওয়ান মোঃ নাজমুল হুদা। যাচাই-বাছাইয়ে এই ৩টি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে কোনো জটিলতা না থাকায় তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে গণসংহতি আন্দোলন এর প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান ও জেলা বিএনপির সদস্য কবির আহমেদ ভুইয়ার মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপি প্রার্থী নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস এর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
এদিকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে ঘিরে প্রার্থীসহ তাদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা হয়। এ সময় প্রার্থীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন আসন্ন নির্বাচন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে।
জেলা প্রশাসক শারমীন জাহান আক্তার জানিয়েছেন, প্রার্থীতা বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারী থেকে ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘণ করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।