
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনকে যদি রূপকভাবে বলি, তাহলে এটি অনেকটা লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো। ন্যূনতম মেরামত করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেওয়ার চেষ্টা। যদি আমরা এটি করতে পারি, সেটাকেই প্রথম বড় সাফল্য হিসেবে ধরা যাবে। এরপর ধাপে ধাপে আরও উন্নতির দিকে এগোতে হবে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর এনজিও ব্যুরোর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
অনুষ্ঠানে সিটিজেন অবজারভেশন ফর ইনক্লুসিভ অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবল ইলেকশন ইন বাংলাদেশ শীর্ষক ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার মোর্চা এএফইডির একটি প্রকল্পের উদ্বোধন হয়। গত ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে এই প্রকল্প চলবে চলতি বছরের ১৪ মে পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থা ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বিগত তিনটি নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো যথাযথ দায়িত্ব পালন করেনি। নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০০টি সংস্থা আবেদন করেছিল। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে ৮১টিকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে। বিগত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা সংস্থাগুলো যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছিল তা যথাযথ ছিল না।’
দেশি পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘পর্যবেক্ষকরা ইসির তৃতীয় নয়ন। আমরা চাই, তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক। মৌলিক বিষয়াদির যেন ব্যত্যয় না হয়। নীতিমালার মধ্যে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’