
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী, তেঁতুলিয়া) আসনে অবৈধ ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণের দাবি সহ ৪ দফা দাবিতে আবারও পঞ্চগড় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে তারা। কর্মসূচীতে বিক্ষোভকারীরা ৪ দফা দাবি জানিয়ে শ্লোগান দিলেও- পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদের কোঠর অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। এদিকে দুপুর ১টার দিকে বিক্ষোভ কর্মসূচীতে উপস্থিত হন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা ইকবাল হোসাইন।
এসময় তারা বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে দাবির প্রেক্ষিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার সাথে জরুরী বৈঠকে বসেন। পরে বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে দাবিগুলো উপস্থাপন করে জরুরী বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী প্রত্যাহার করেন তারা।
এসময় পঞ্চগড় ১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ৩ দফা দাবি জানিয়ে বলেন, অবৈধ ব্যানার ফেস্টুন আগামী সপ্তাহের মধ্যে সরাতে হবে।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করতে হবে। বিগত তিনটি নির্বাচনে দ্বায়িত্ব পাওয়াদের বাদ দিতে হবে। সেই সাথে মাদরাসা শিক্ষকদের বিগত দিনে নির্বাচনে দ্বায়িত্ব দিতে হবে। তবে রাজনৈতিক পদধারীদের বাদ দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, দেশ সংবিধান অনুযায়ী চলে। অক্সফোর্ড ডিকশনারি অনুযায়ী চলেনা। এই বাংলাদেশ আগের বাংলাদেশ না। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ। কোন অন্যায় অনিয়ম হলে আর কোন প্রতিবাদ নয় প্রতিহত করা হবে।
জেলা প্রশাসক কাজী মো সায়েমুজ্জামান বলেন, বিএনপি ও ১১ দলের প্রার্থীকে আচরণ বিধির বিষয়ে আমি জানিয়েছি। তারা এসব মেনে চলবেন বলে আমাদের আমাকে জানিয়েছেন। ১১ দলের যে কয়েকটি দাবি দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে বুধবার বিকেল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত টাকা ৫ ঘন্টা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনের নানা অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে তারা। পরে ৫ দফা দাবি জানিয়ে কর্মসূচী সাময়িক প্রত্যাহার করলেও, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে প্রায় ৩ ঘন্টা আবারো বিক্ষোভ কর্মসূচী শুরু করে তারা।