
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত সক্ষমতা ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলতি বছরই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য এম. এ. আকমল হোসেন আজাদ।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা জানান তিনি।
আকমল হোসেন আজাদ বলেন, অবকাঠামো বাড়ালেই যে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাড়বে- বিষয়টি এমন নয়। প্রতিবেশি দেশ এবং আমাদের সরকারের পলিসিরও বিষয় আছে। তবে আমরা প্রস্তুত আছি বন্দরের সক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা চিন্তা করছি আগামী ৩০ বছর পর এখানে কী হবে! আমরা আশা করি তখন এখানে আমদানি বাড়বে। এখন যেমন আমরা মালামাল পাঠাতে পারছি, তখন আমরা নামাতেও (আমদানি) পারব। সেই সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমাদের অব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ জায়গায় পর্যায়ক্রমে অবকাঠামো গড়ে তুলে সক্ষমতা বৃদ্ধি আমাদের প্রস্তাবে আছে।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যে কাজগুলো অসমাপ্ত ছিল বা শুরুই হয়নি, সেগুলো যেন শুরু হয়। চলতি বছর যদি কাজ শেষ না হয় তাহলে আমরা ওনাদেরকে (ঠিকাদার) বলেছি যেন জুলাইয়ে আমাদের কাছে আসে। তাহলে আমরা সামনের দিকে তাকাতে পারি যে, এটা আরও এক বছরে হয়তো শেষ হবে।
এ সময় আকমল হোসেন আজাদের সঙ্গে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক রাশেদুল সজীব নাজির ও সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান এবং আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে স্থলবন্দরের সম্মেলন কক্ষে বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এম. এ. আকমল হোসেন আজাদ।