ওয়ান নিউজ ডেস্ক: জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার সীমান্তে অবস্থিত কারিবা হ্রদে ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি যাত্রী নিয়ে মর্মান্তিক ফেরিডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে অন্তত ১৮ জন শিশু রয়েছে এবং এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ নৌ দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত ১১ আগস্ট, মঙ্গলবার প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র বাতাসের কবলে পড়ে মাত্র ৯০ জন ধারণক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ২৪৩ জন যাত্রী বহনকারী ফেরিটি জিম্বাবুয়ের উত্তরাঞ্চলীয় কারিবা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মৎস্যজীবী অধ্যুষিত এলাকার দিকে যাওয়ার পথে উল্টে যায়। রবিবার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ সার্ভিস জানিয়েছে যে, উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আরও চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। উত্তরাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগের বেহাল দশা ও পরিবহন সংকটের কারণে স্থানীয়রা যাতায়াতের জন্য মূলত এই জলপথের ওপরই নির্ভরশীল, তাই এমন ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর নিখোঁজ স্বজনদের মরদেহ শনাক্ত করতে স্থানীয় হাসপাতালের সামনে শত শত মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার পর জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, এই দুর্ঘটনা দেশের পরিবহন খাতের চরম অব্যবস্থাপনা ও দুর্বলতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, যা অনতিবিলম্বে সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।

