ওয়ান নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ এবং উভয় দেশের নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে চীন ও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি যৌথ সীমান্ত কমিশন গঠন করেছে, যার প্রথম বৈঠক বুধবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হলেও এই উদ্যোগের কোনো আইনি ভিত্তি নেই দাবি করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৩ সালে তৎকালীন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংয়ের পাকিস্তান সফরকালে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গঠিত এই নতুন কমিশনের উদ্বোধনী অধিবেশনে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন চীনের লি ইয়া এবং পাকিস্তানের বিলাল মাহমুদ চৌধুরী; যা খুনজেরাব সীমান্ত ও চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) মতো প্রকল্পগুলোতে দুই দেশের সমন্বয় আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বেইজিং ও ইসলামাবাদের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, যেহেতু জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ পুরোপুরি ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাই দখলকৃত ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান ও চীনের এ ধরনের যেকোনো তথাকথিত কমিশন বা তৎপরতা নয়াদিল্লির কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এছাড়া ১৯৬৩ সালের বিতর্কিত চীন-পাক সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান অবৈধভাবে আকসাই চিন ও শাকসগাম উপত্যকার মতো অঞ্চলগুলো চীনের কাছে হস্তান্তর করেছে—এমন অভিযোগ তুলে ভারত আরও জানিয়েছে যে, তাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে দখলদারিত্বকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টাই ভারত কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।

