থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করেছে। মাত্র এক বছর ক্ষমতায় থাকার পর নৈতিকতার লঙ্ঘনের অভিযোগে শুক্রবার এই রায় দেওয়া হয়। এতে আবারও ধাক্কা খেলো প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবার। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, জুন মাসে ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপে পেতংতার্ন কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য দেখান। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে সীমান্তে উত্তেজনা চলছিল। কিছু সপ্তাহ পর সংঘর্ষও বাঁধে, যা পাঁচ দিন স্থায়ী হয়।
আদালতের মতে, পেতংতার্ন জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছেন। রায়ে ৬-৩ ভোটে তার পদচ্যুতি হয়। পেতংতার্ন থাইল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
পদচ্যুত হওয়ার আগে তিনি স্বীকার করেছিলেন যে ফাঁস হওয়া ফোনালাপে ভুল করেছিলেন। তবে তার দাবি ছিল তিনি যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। এখন নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করবে দেশটির পার্লামেন্ট। তবে তা কতদিন সময় নেবে তা অনিশ্চিত। পেতংতার্নের দল ফিউ থাই (পেউ থাই) সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে হিমশিম খেতে পারে। দলটির জোটও ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।