ওয়ান নিউজ ডেস্ক:
বাঘেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন জলাশয় থেকে একমাত্র অবশিষ্ট কুমিরটিকে হঠাৎ করে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রাণীটিকে দিঘিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। রোববার (৭ জুন) দুপুরে বাঘেরহাট প্রেসক্লাবে সাধারণ জনগণের পক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে এই মাজার, জলাশয় ও কুমির স্থানীয় কৃষ্টি ও ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে টিকে রয়েছে এবং এটি দেখার জন্যই দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকেরা এখানে আসেন। কিছুদিন আগে জলাশয়ে একটি শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, চরম এই সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রশাসন চাইলে চারিদিকে মজবুত নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি বা বিশেষ পাহারার ব্যবস্থা করতে পারত। স্থানীয় মানুষ কিংবা মাজার কমিটির সাথে কোনো রূপ আলোচনা না করে রাতের অন্ধকারে জরুরি সভার মাধ্যমে কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের দানা বেঁধেছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই জলচর প্রাণীটি বাঘেরহাটের দীর্ঘদিনের লোকগাথা ও পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রাণ, তাই আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একে নিজের আবাসে ফিরিয়ে আনা না হলে পরবর্তীতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

