বিসিবি নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ও পক্ষপাতের অভিযোগ, আজ ভোটগ্রহণ

বিসিবি নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ও পক্ষপাতের অভিযোগ, আজ ভোটগ্রহণ

ওয়ান নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাত ও একচেটিয়া আধিপত্যের অভিযোগ প্রকট হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রার্থী তালিকায় বর্তমান সরকারি দলের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের স্বজনদের বড় ধরনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, এবারের প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ভোগ করছেন এবং এই প্রভাবের কারণেই বিসিবির অধিকাংশ পরিচালক ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে গেছেন। আজ রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কয়েকটি বাকি থাকা পদের জন্য ভোটগ্রহণ চলবে এবং একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এবারের নির্বাচনে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ক্যাটাগরি-১ থেকে ১০ জন পরিচালকের মধ্যে সাতজনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের সাইদ বিন জামান ও এসএম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, সিলেটের আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, চট্টগ্রামের মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও মঈন উদ্দিন চৌধুরী, রাজশাহী বিভাগের মীর শাকরুল আলম এবং রংপুরের মির্জা ফয়সাল আমীন; অন্যদিকে এই ক্যাটাগরিতে খুলনার দুটি পদের জন্য শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম ও আব্দুছ ছালাম এবং বরিশালের একটি পদের জন্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির আলম চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ক্যাটাগরি-৩ থেকে সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীরও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকার ক্লাবভিত্তিক ক্যাটাগরি-২-এ ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন, যেখানে ফাহিম সিনহা, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রাব্বানী, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, তামিম ইকবাল খান, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, শানিয়ান তানিম ও সাঈম ইব্রাহীম আহমেদের জয় অনেকটাই নিশ্চিত এবং বাকি দুটি পদের জন্য আমজাদ হোসেন, সাকিফ আহমেদ সালাম ও ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীমের মধ্যে মূল লড়াই হচ্ছে। তবে এই ক্যাটাগরিতে শেষ মুহূর্তে কৌশলে ৩৯টি ই-ভোট বা ইলেকট্রনিক ভোট প্রদানের ব্যবস্থা রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ কাউন্সিলররা, কারণ ঢাকায় সশরীরে অবস্থান করেও অনেক ভোটারকে ই-ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে যা নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *