অনলাইন ডেস্ক:
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে আবারও পতন দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়ায় এই দরপতন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতেই আগের দিনের তুলনায় তেলের দাম কমে আসে। যদিও সোমবার বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই ঊর্ধ্বগতি টেকেনি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী তেলের মজুত ছাড়তে শুরু করেছেন, যার প্রভাব সরাসরি দামে পড়েছে।
সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম প্রায় ১ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৮৮ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে। অন্যদিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দামও সামান্য কমে ৯৫ ডলারের আশপাশে অবস্থান করছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা নতুন নয়। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, এই বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিলে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে না। তিনি আরও সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না এলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদও বাড়ানো হবে না।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও এশিয়ার শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের দামে উত্থান দেখা গেছে, যার প্রভাবে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও হংকংয়ের বাজারে সূচক বেড়েছে।

