ওয়ান নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক বিতর্কিত ও হুমকিমূলক বিবৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুইজারল্যান্ডে আমেরিকার সাথে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম ফার্স এক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে দাবি করেছে যে, ট্রাম্পের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য আলোচনার সুষ্ঠু পরিবেশকে সম্পূর্ণ নষ্ট করেছে এবং এই প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎকে এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে যে ইরানের প্রতিনিধিদল ইতিপূর্বেই সভাস্থল ত্যাগ করেছে; যদিও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস একজন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে উল্টো দাবি করেছে যে ইরানি আলোচকরা এখনো সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অবস্থান করছেন এবং এই সংলাপ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। এই তীব্র উত্তেজনার আবহেই ট্রাম্পের সেই কঠোর হুঁশিয়ারিকে—যেখানে তিনি বলেছিলেন আলোচনা ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রশাসন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারে এবং ইরান তা বন্ধের চেষ্টা করলে ইরানি আলোচকদের পরিণতি এমন হবে যে তারা আর ‘স্বদেশে ফিরতে পারবেন না’—পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার তথা প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। ট্রাম্পের এই হুমকিকে গুরুত্বহীন আখ্যা দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, হোয়াইট হাউজের হুমকি যদি আসলেই কার্যকর হতো, তবে আজ ওয়াশিংটনকে এমন মারাত্মক অচলাবস্থায় পড়তে হতো না; ইরান এসব ফাঁকা আওয়াজকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করে না এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো ধরণের পরিস্থিতির দাঁতভাঙা জবাব দিতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

