ওয়ান নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন যে পবিত্র হজ পালনের খরচ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এটি তাঁর দলের নির্বাচনী ইশতেহারেও রয়েছে। গতকাল বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে পবিত্র হজ একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা হওয়ায় এর খরচের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ খরচ সৌদি আরব পর্বের (যেমন মিনা-আরাফাতের তাঁবুভাড়া, পরিবহন, হোটেলভাড়া, কোরবানি, ভিসা ও বিমা ফি ইত্যাদি) যা সৌদি সরকার নির্ধারণ করে এবং বাকি মাত্র এক-চতুর্থাংশ খরচ বিমানভাড়াসহ বাংলাদেশ অংশে হয়ে থাকে। তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে গত বছরের তুলনায় এবারের হজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমিয়ে সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ মূল্য ৪ লাখ ৬৭,১৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল যার সুফল হজযাত্রীরা পেয়েছেন এবং আগামী বছরের হজ প্যাকেজের মূল্য আরও কমানো বা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

