সরকারি হাসপাতালে ফাঁকি রোধে কড়া বার্তা: ৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি হাসপাতালে ফাঁকি রোধে কড়া বার্তা: ৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ওয়ান নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ঠেকাতে এবং সেবার মান বাড়াতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ও বায়োমেট্রিক উপস্থিতি পদ্ধতি চালুর কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রদত্ত তাঁর এই নির্দেশনার আলোকে ইতোমধ্যে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে, যেখানে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ডিজিটাল উপস্থিতির এই তথ্যকে সরাসরি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির সাথে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি রোধ করতে হাসপাতালের ইউজার ফি, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি, কেবিন ও আইসিইউ ভাড়া পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; তবে দরিদ্র ও প্রান্তিক রোগীদের ক্ষেত্রে কেবিন ফি নির্ধারণে যেন কোনো বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আদায়কৃত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহার করা যাবে এবং ওষুধের মজুত ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্ভুল রাখতে সমন্বিত তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানো হবে। চিকিৎসায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি মাসে কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের মাধ্যমে সেরা ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান এবং পিছিয়ে থাকা ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানসহ দায়িত্বে অবহেলাকারী চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাসমূহ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে এবং আগামী ২৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই সার্বিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *