ডেস্ক রিপোর্ট:
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও পণ্যের দাম সমন্বয় করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বা মজুত নিয়ে বড় কোনো সংকট নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত চাহিদা ও আতঙ্কের কারণে অনেকেই বেশি করে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন, যা বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।
উপদেষ্টা জানান, চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল মজুত রয়েছে এবং আরও জ্বালানি বহনকারী জাহাজ আসছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বেশি দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে জটিল করছে।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশই অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে যেন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর কম পড়ে এবং পরিবহন ভাড়াও নিয়ন্ত্রিত রাখা যায়। তবে জ্বালানির দামের পরিবর্তন হলে পণ্যের দামেও তার প্রভাব পড়বে—এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
সরকারের ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের ঋণের কিছু প্রভাব জনগণের ওপর পড়তে পারে, তবে এটি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছায়নি। সরকারের নেওয়া ঋণ মূলত জনকল্যাণমূলক কাজেই ব্যয় করা হবে।
এছাড়া রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে নৈশবাজার চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
আঞ্চলিক পর্যায়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বিষয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান উপদেষ্টা। মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও ভারতের কিছু অঞ্চলের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন করা হতে পারে। পাশাপাশি পুরো বৈশাখ মাসজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

