একেএম বজলুর রহমান , পঞ্চগড়
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নারীর জন্য গাড়ী, কৃষক কার্ড, ও কৃষি ঋণ মওকুফের সুফল বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে (১৩ মে) পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। তারই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ফ্যামিলি কার্ড, জিয়াউর রহমাননের পুর্বের খাল খনন কর্মসূচি চালুকরন, বন্যা, খড়াসহ প্রত্যাহিক বৃক্ষরোপণ অভিযান, নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য গাড়ী প্রদান, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ও কৃষি ঋণ মওকুফের সুফলসহ সকল বিষয় নিয়ে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসার উজ্জ্বল শীল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড কর্মসূচীর উদ্ধোধন করেন। ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক প্রাথমিক ভাবে এ সুবিধা পাবেন। ১৬ মার্চ থেকে আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার মৃত প্রায় ও ভরাট খাল ও জলাধার পুনঃ খনন করার কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। নারীদের নিরাপদ ও বিশেষ গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য নারীর জন্য গাড়ি দেয়া হবে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋন মওকুফ করা হয়েছে। ১২ লক্ষ কৃষকের ঋন মওকুফ করতে খরচ হয়েছে ১৫ শত ৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
উক্ত প্রেস ব্রিফিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষিত কৃষক কার্ড কর্মসূচি দেশের কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল পরিচয় যা যা ১ ছাতার নিচে একাধিক সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের যুগান্তকারী উদ্যোগ। এখানে কৃষকদের নাম সার্চ দিয়ে সে কোন কোন সেবার আওতাধীন রয়েছে তা দেখা যাবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রথম ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। সারা দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ ও ডাটাবেজ তৈরীর কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শীমা শারমিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আক্তার, জেলা তথ্য অফিসার উজ্জ্বল শীল, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে পঞ্চগড়ের স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

