ওয়ান নিউজ ডেস্ক:
দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণে জাপানের চাহিদাকে সামনে রেখে বিপুল সংখ্যক জনশক্তি পাঠানোর প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ সরকার। নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী (এসএসডব্লিউ) ক্যাটাগরির আওতায় ১৬টি খাতে কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
জাপান সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে লাখো বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ যদি সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে, তাহলে এই বিশাল চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।
আগে সীমিত কয়েকটি খাতে কর্মী পাঠানো হলেও এখন সব খাতেই দক্ষ জনবল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপানের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ভাষা শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে জাপানি ভাষা শেখানো হচ্ছে এবং নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও ভাষা শিক্ষার বিস্তার ঘটছে।
জাপানের কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে ‘জাপান সেল’ চালু, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং রিক্রুটিং প্রক্রিয়া সহজ করার মতো নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শুধু শ্রমিক নয়, শিক্ষার্থী পাঠানোর ক্ষেত্রেও জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরগুলোতে জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পারলে জাপান বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বৃহৎ কর্মসংস্থানের গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

