অনলাইন ডেস্ক
বিরোধী জোটের আসন বণ্টনে এনসিপিকে অতিরিক্ত একটি সংরক্ষিত নারী আসন দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি তাদের প্রাপ্ত কোটা থেকে দুটি নারী আসন শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছয়টি আসন পাওয়া এনসিপির একটি নারী আসন পাওয়ার কথা থাকলেও, জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে জামায়াতের অংশ থেকে আরও একজন নারী নেত্রী সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
এ ছাড়া, সংসদে প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)কেও একটি নারী আসন দেওয়া হচ্ছে। বিরোধী জোটের মোট ১৩টি নারী আসনের মধ্যে বাকি ১০টিতে প্রার্থী দেবে জামায়াত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দলীয় নীতিমালার কারণে বর্তমান বা সাবেক এমপিদের স্ত্রী বা কন্যাদের নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। যেমন, আমির শফিকুর রহমানের স্ত্রী ডা. আমেনা বেগম কিংবা নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী ডা. হাবিবা আখতার চৌধুরী—দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও এই নীতির কারণে তারা মনোনয়ন পাচ্ছেন না।
তবে এমপি নন—এমন কোনো নেতার স্ত্রী যদি দলীয় নেতৃত্বে থাকেন, তাহলে তিনি মনোনয়নের সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ বা মহিলা জামায়াতের বাইরে থেকেও একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।
হামিদুর রহমান আরও জানান, জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে এনসিপির একজন নারী নেত্রী আগে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিলেন। তখনই তাকে একটি অতিরিক্ত নারী আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। একইভাবে, জোটে থাকা সত্ত্বেও আগে কোনো আসন না পাওয়া জাগপাকেও নারী আসন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হচ্ছে।

